দুবাইয়ে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন লিটন দাস। শেখ মেহেদী হাসান ও শরিফুল ইসলামকে একাদশে নিতে বাদ দেওয়া হয় নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেনকে। লঙ্কান দুই ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস দলকে এনে দেন উড়ন্ত সূচনা। তখন কেউ কল্পনাও করেননি, ২০০ রানের নিচে থামবে লঙ্কানদের ইনিংস।
৫ম ওভারের শেষ বলে দলীয় ৪৪ রানে নিসাঙ্কা বিদায় নিলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তার আগে ১৫ বলে ২২ রান করেন নিসাঙ্কা, তিনটি চারের সাথে হাঁকান একটি ছক্কা। আরেক ওপেনার কুশল ছিলেন আরও বিধ্বংসী। আফগানিস্তানের বিপক্ষে দারুণ ব্যাট চালিয়ে বাংলাদেশকে সুপার ফোরে তুলতে সহায়তা করা এই ব্যাটার এবার একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ২৫ বলে ৩৪ রান করেন।
শেখ মেহেদী হাসানের শিকার হয়ে দলীয় ৫৮ রানে তিনি বিদায় নিলে খেই হারায় লঙ্কানরা। এরপর একে একে উইকেট হারাতে থাকলে চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে সেই চাপ দূর করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন দাসুন শানাকা। কামিল মিশারা ১১ বলে ৫ ও কুশল পেরেরা ১৬ বলে ১৬ রান করে বিদায় নিলে শানাকা সঙ্গী হিসেবে পান অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কাকে।
শানাকার কল্যাণে নাসুম আহমেদের করা ১৫তম ওভার ও তাসকিন আহমেদের করা ১৬তম ওভারে আসালঙ্কার কল্যাণে ম্যাচে ফেরে শ্রীলঙ্কা। বিপর্যয় প্রতিরোধের পর রান রেট বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেন দুজনে। তবে মুস্তাফিজুর রহমান এসে নিয়ন্ত্রণ করেন রানের ধারা। যদিও শেষদিকে ক্যাচ মিসের মহড়া দেখিয়ে আফসোস বাড়িয়েছে টাইগাররা।
১২ বলে ২১ রান করে আসালঙ্কা বিদায় নিলেন শানাকা ৩৭ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। হাঁকান তিনটি চার ও ছয়টি ছক্কা। বাংলাদেশের পক্ষে মুস্তাফিজুর রহমান ২০ রানের খরচায় তিনটি উইকেট শিকার করেন। ২৫ রান দিয়ে জোড়া উইকেট পান মেহেদী। ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে লঙ্কানদের পুঁজি দাঁড়ায় ১৬৮।

Post a Comment