আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে জয়ের টার্গেট ছিল ১৫২ রান। দুর্দান্ত সূচনা পেয়ে বাংলাদেশ খুব সহজেই এগোচ্ছিল লক্ষ্যের পথে। উদ্বোধনী জুটিতে পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তুলে আনেন ১০৯ রান। তখন মনে হচ্ছিল বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে টাইগাররা।
কিন্তু হঠাৎ করেই নেমে আসে ধস। মাত্র ২৫ বলের ব্যবধানে মাত্র ৯ রান তুলেই বাংলাদেশ হারায় ৬ উইকেট! ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় প্রতিপক্ষের দিকে। ৫১ বলে ৪৩ রানের সহজ সমীকরণ তখন নেমে আসে ২৪ বলে ৩৪ রানে।
এই সময় ব্যাট হাতে দায়িত্ব নেন নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেন। দুজনের জুটিতেই আসে জয়। বাংলাদেশ ৪ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ শেষ করে, পায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে অধিনায়ক জাকের আলি অনিক বলেন, “আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন হতেই পারে। আমি ড্রেসিংরুমে বসে শান্তভাবেই ম্যাচ দেখছিলাম। আফগানিস্তান ভালো দল, তাই এমন ধস আসতেই পারে। তবে ছেলেদের প্রচেষ্টায় আমি খুশি।”
তবে জাকের স্বীকার করেছেন, একসঙ্গে এত দ্রুত উইকেট হারানোয় কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল, “আমরা ভালো শুরু করেছিলাম। তাই উইকেট হারানোয় চিন্তা এসেছিল। তবে ক্রিকেট খেলার আসল মজা এখানেই— উত্থান–পতন। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পেরে খুশি।”
এছাড়া বোলিং নিয়েও খানিকটা আক্ষেপ ঝরল জাকেরের কণ্ঠে। ১৬ ওভারে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ছিল ১০০/৬। সেখান থেকে মোহাম্মদ নবীর ব্যাটে শেষ ৪ ওভারে আসে ৫১ রান।
জাকের বলেন, “শুরুর বোলিং আমরা খুব ভালো করেছি। কিন্তু ডেথ ওভারে বাড়তি রান খরচ করেছি। এখানেই আমাদের উন্নতির জায়গা আছে। আশা করি আগামী ম্যাচে আরও ভালো খেলব।”

Post a Comment