নিজের 'আ'উ'ট'কে' ‘ক্রা''ই''ম''’ বললেন তাওহীদ হৃদয়! তো'ল'পা'ড় ক্রিকেট দুনিয়া!

 



টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে হোয়াইটেওয়াশের পর ওয়ানডে সিরিজের শুরুটা হার দিয়ে হলো বাংলাদেশের। ৫০ ওভারের ক্রিকেট ছন্দহীনতার ধারাবাহীকতা ধরে রাখল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।




আবু ধাবিতে আফগানদের বিপক্ষে পাঁচ উইকেটের হারে ব্যাটারদের দায়ই বেশি। দলকে ভালো শুরু এনে দিতে ব্যর্থ হন টপ-অর্ডারের ব্যাটাররা। এরপর মিডল অর্ডারে তাওহিদ হৃদয় ও অধিনায়ক মিরাজের জুটি লড়াকু সংগ্রহের দিকে নিচ্ছিল বাংলাদেশকে।




অনেকটা ধীরগতির হলেও চতুর্থ উইকেটে শতরানের জুটি গড়ে বাংলাদেশ। তবে জমে যাওয়া জুটির সমাপ্তি ঘটে মিরাজের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে হৃদয় রান আউট হলে। নানগেয়ালিয়া খারোতির বলে কাভারে ঠেলে এক রান নিতে চেয়েছিলেন হৃদয়। শুরুতে থেমে গেলেও হাশমতউল্লাহ শহীদি মিসফিল্ডিং করলে আবার রান নিতে ছোটেন হৃদয়। মিরাজ সাড়া দেননি। তাতে ৩৫.২ ওভারে ১৫৪ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে।




৮৫ বলে ৫৬ করা হৃদয় ফেরার পথ হারায় বাংলাদেশ। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত সব ওভার খেলার আগেই ২২১ রানে গুটিয়ে যায় মিরাজের দল। রান আউটে হৃদয় এভাবে নিজের উইকেট বিলিয়ে না দিলে কি বাংলাদেশের সংগ্রহটা আরও বড় হতে পারতো ? এই ব্যাটারের আউেই কি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুর্হূত ছিল কিনা?





ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে সেই প্রশ্ন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে আসা হৃদয় স্বীকার করেন তাঁর উইকেটই ম্যাচের টার্নি পয়েন্ট ছিল, ‘হ্যা, আমি মনে করি এটা শতভাগ টার্নিং পয়েন্ট। কারণ ওরকম একটা অবস্থা থেকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার পরে ওইরকম সিচুয়েশনে রান আউট হওয়াটা আমি বলব যে এটা একটা ক্রাইম। অবশ্য আমার একটা বাজে ডিসিশনের জন্য আমি রান আউট হয়েছি। আশা করব একরকম অবস্থা যখন ফেস করবো ইনশাল্লাহ ভালো কিছু করব।’





এ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চারবার রান আউট হলেন হৃদয়। সমস্যাটা নিজেও বুঝতে পারছেন ২৪ বছর বয়সী ডান হাতি ব্যাটার। দ্রুত সেই সমস্যার সমধান খোঁজার কথা বললেন হৃদয়,‘ সমস্যাটা হয়তো আমার ভেতরেই। আমাকেই খুঁজতে হবে সমস্যাটা কোথায়। এটা ইনশাল্লাহ খুঁজবো, খুজে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বের হওয়ার চেষ্টা করবো।’

Post a Comment

Previous Post Next Post