সাব্বির রহমান নয়। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) সর্বশেষ আসরে ফিক্সিংয়ের ঘটনায় মিনহাজুল আবেদীন সাব্বিরকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিয়েছে বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট আকু। সাব্বিরকে অন্তত ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা অথবা প্রয়োজনে ৮-১০ বছর বা আরও বেশি নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবনার বিষয়টি নিজেদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে আকু। এমন খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি সান।
রহস্যজনক সেই স্টাম্পিং, যেন নিজেকে আউট হতে দেখার অপেক্ষায় আছেন মিনহাজুল আবেদীন সাব্বির।
ডেইলি সান জানিয়েছে, সাব্বির বিসিবির দুর্নীতি দমন কোডের একাধিক ধারা ভঙ্গ করেছেন যেখানে বুকির সাথে যোগাযোগ রাখা এবং সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে না জানানোর বিষয়ও রয়েছে। শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের এই ব্যাটারের রহস্যজনক আউট নিয়ে ডিপিএলের সর্বশেষ আসরে হয়েছে ব্যাপক তোলপাড়। গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচে নিজেদের ইনিংসের ৪৪তম ওভারে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে নিজেকে স্টাম্পিংয়ের সুযোগ করে দেন সাব্বির।
পরে ফিরে ব্যাট ক্রিজের ভেতরে নিয়ে আবার বাইরে আনেন তিনি, যা ক্যামেরায় স্পষ্ট দেখা যায়। তাকে স্টাম্পিং করে দেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। এমন ঘটনায় ফিক্সিংয়ের গন্ধ পেয়ে তদন্তে নামে আকু। নিজেদের রিপোর্টে আকু জানায়, ‘ঘটনার প্রমাণ অনুযায়ী, আমরা অন্তত ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করছি, যেখানে ৮-১০ বছর বা তার চেয়েও বেশি সময়ের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। এর ফলে অপরাধের তীব্রতা টের পাওয়া যায় এবং এটি ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। এর সাথে মোহাম্মদ আশরাফুলের ৮ বছরের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও তুলনা করা যায়।’
তদন্তে উঠে এসেছে ডিপিএলের সময় বিদেশি একটি নাম্বারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল সাব্বিরের, যা বিদেশি কোনো বুকির নাম্বার হতে পারে। আন্তর্জাতিক কোনো সিন্ডিকেট এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আকু। সেই সাথে ম্যাচের সময় ড্রেসিংরুমসহ সব জায়গা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

Post a Comment